National

অ্যাশেজে নিজের শেষ দেখছেন অ্যান্ডারসন

বয়স ৪০ ছাড়িয়ে গেলেও এখনও ইংল্যান্ডের বোলিং লাইনআপের গুরুত্বপুর্ণ মুখ জেমস অ্যান্ডারসন। টেস্ট ক্রিকেটের তৃতীয় সর্বোচ্চ উইকেটের মালিকের জন্য অবশ্য এজবাস্টন টেস্টটা কেটেছে বিস্মরণযোগ্য। অ্যাশেজের প্রথম টেস্টের হারের পর তার নখদন্তহীন বোলিংকে অনেকেই তুলছেন কাঠগড়ায়। তবে অ্যান্ডারসন দায় দিচ্ছেন এজবাস্টনের পিচকেই।

৬৮৫ টেস্ট উইকেটের মালিক জেমস অ্যান্ডারসন। অথচ এজবাস্টনে অস্ট্রেলিয়ার নবম উইকেট জুটি যখন জমে উঠেছে তখন নতুন বলেও তাকে বোলিংয়ে আনলেন না ইংলিশ অধিনায়ক বেন স্টোকস। অবশ্য বল হাতে তুলে দেওয়ার সাহসই বা পাবেন তিনি কেমন করে, এজবাস্টনে যে ৩৮ ওভার বল করেও মোটে একটি উইকেট পেয়েছেন অ্যান্ডারসন। অজিদের দ্বিতীয় ইনিংসে তো উইকেটই নিতে পারেননি তিনি।এমন নখদন্তহীন বোলিংয়ের দায়টা পিচের ওপর চাপিয়েছেন অ্যান্ডারসন। এজবাস্টনের ‘নিষ্প্রাণ’ পিচ তাকে দুর্বল করে দিয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। এমনকি সিরিজের বাকি ম্যাচগুলোর পিচ যদি প্রথম টেস্টের পিচের মতোই হয় তবে তার জন্য এবারকার মতো অ্যাশেজ ‘শেষ’ বলেও জানিয়েছেন তিনি।

ডেইলি টেলিগ্রাফে লেখা এক কলামে অ্যান্ডারসন বলেন, ‘যখন আপনি এজবাস্টনের এই পিচের মতো ফ্লাট পিচে খেলবেন এবং একটি উইকেট নেবেন, একটু বেশিই আবেগী হয়ে পড়বেন কারণ আপনি এটার জন্য একটু বেশিই পরিশ্রম করেছেন।’এজবাস্টনের পিচ টেস্টে পেসারদের মধ্যে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারির সব শক্তি শুষে নিয়ে দুর্বল করে দিয়েছিল বলে জানিয়েছেন তিনি। তিনি বলেন, ‘ওই পিচ যেন আমার শক্তি শুষে নিয়েছিল। সেখানে খুব একটা সুইং ছিল না, ছিল না সিম মুভমেন্ট, না কোনো বাউন্স ও পেস। আমি বছরের পর বছর ধরে চেষ্টা চালিয়ে গেছি আমার স্কিল বাড়াতে যেন আমি যে কোনো কন্ডিশনে বল করতে পারি কিন্তু আমার এতো চেষ্টার পরও এখানে কোনো পার্থক্য গড়ে দিতে পারিনি। আমি যেন একটা অগম্য পাহাড় ডিঙানোর চেষ্টা করে গেছি। এটা অনেক দীর্ঘ একটা সিরিজ এবং আশা করি আমি কোনো একপর্যায়ে অবদান রাখতে পারব। তবে সব পিচই যদি এমন হয় তবে আমার জন্য এই অ্যাশেজ এরই মধ্যে শেষ হয়ে গেছে।’তবে অ্যান্ডারসন উইকেটের ওপর দায় চাপালেও এই ‘নিষ্প্রাণ’ উইকেটেই বেশ সফলতা পেয়েছেন তার বোলিং সঙ্গী স্টুয়ার্ট ব্রড ও ওলে রবিনসন। ব্রড দুই ইনিংসে তিনটি ও রবিনসন নিয়েছেন পাঁচ উইকেট।

Related Articles

Back to top button